গাজা ইস্যুতে আহমাদুল্লাহ ও আজহারির ফেসবুক পোস্ট
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা হামাসের ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ আক্রমণ চালাচ্ছে। এই হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং নতুন করে আরও অনেক এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গাজায় চলমান হামলা নিয়ে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারি।
আহমাদুল্লাহর প্রতিক্রিয়া
শায়খ আহমাদুল্লাহ তার পোস্টে লিখেছেন—
“গাজা ইস্যুতে মুসলিম নেতাদের নির্লজ্জ নীরবতা তাদের মুনাফেকিকেই প্রকট করে তোলে। হে আল্লাহ, আমাদের এসব জুলুমের পরিণতি দেখে যাওয়ার তাওফিক দিন।”
একই পোস্টের মন্তব্যে তিনি আরও লেখেন—
“আমরা যখন রসনাবিলাসী ইফতার-সাহরি আর ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত, তখন অন্য প্রান্তের মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর সাহরির সময় বর্বোরচিত বোমা হামলা চালানো হলো। মানুষ নামের পশুরা তাদের নির্বিচারে হত্যা করছে।
সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৪০৪। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যুর জন্য তড়পাচ্ছে আরও অসংখ্য মানুষ। গাজার আজকের ভোরের মতো বিষণ্ণ ও শোকতপ্ত ভোর পৃথিবীতে আর কখনো আসেনি।
“সারি সারি পড়ে থাকা ক্ষত-বিক্ষত শিশুদের লাশে ভোরের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তা দেখে পাষাণ হৃদয়ও কেঁপে উঠছে। অথচ যে অমানুষগুলোর হাতে এই রক্তের দায়, তারা নির্বিকার। যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে, পবিত্র রমাদান মাসে, রোজাদারদের ওপর এই নৃশংসতা যারা চালাচ্ছে, তাদের ওপর বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর লানত নেমে আসুক।”
মিজানুর রহমান আজহারির প্রতিক্রিয়া
শায়খ মিজানুর রহমান আজহারি ফেসবুকে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন—
“আরশের মালিক! তুমি আমাদের মাজলুম ভাই-বোনদের সহায় হও। তাদের ওপর রহম করো।”
আরও পড়ুন: যাকাতের সঠিক বিতরণে দেশে এক লাখ কোটি টাকার তহবিল গঠন সম্ভব: ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
গাজা পরিস্থিতি ও মুসলিম উম্মাহর উদ্বেগ
গাজার চলমান হত্যাযজ্ঞে বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ শোকাহত। অনেকেই ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তবে এখনও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।